শনিবার , ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাঁধা দিলে নির্বাচন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে- প্রধান নির্বাচন কমিশনার

সিলেটের সকাল রিপোর্ট
ডিসেম্বর ৩০, ২০২৩ ৬:০৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাঁধা প্রদান করা হলে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। আজ শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে সিলেট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের মেইন একটি দল ওরা নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করছে এবং জনগণকে আহবান জানাচ্ছে নির্বাচন বর্জন করার জন্য। এটা শান্তিপূর্ণভাবে বড় চ্যালেঞ্জ নয়। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক অধিকারের মধ্যে যেমনি নিবার্চনের পক্ষে বলা যায়, ঠিক তেমনি সমালোচনাও করা যায়। কিন্তু নির্বাচনকে প্রতিহত করতে পারবে না। এখন যদি তারা নির্বাচনকে প্রতিহত করার চেষ্টা করে, তাহলে একটা চ্যালেঞ্জ আসবে যেটা আমাদেরক মোকাবিলা করতে হবে। আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বলা হয়েছে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে বলা হয়েছে তারা যেন বোঝার চেষ্টা করেন, যে আসলে কি তারা পিছফুল ম্যানারে নির্বাচনের বিরুদ্ধে নির্বাচন সম্পর্কে নির্বাচন বর্জন করার যে আহবান জানাচ্ছেন, ওটা যদি এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে আমাদের কোনো সংকট নেই। কিন্তু, যদি নির্বাচনের দিন বা আগে তাদের অবস্থান পরিবর্তিত হয়ে নির্বাচনকে প্রতিহত করার কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করে, ভোটারদের যদি ভোটকেন্দ্রে যেতে বাঁধা প্রদান করা হয় তাহলে অবশ্যই একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। সেই চ্যালেঞ্জটা মোকাবিলা করার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ভোটাররা যদি আস্থার সাথে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে সত্যিকার অর্থে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তাহলে কিন্তু নির্বাচনটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়ে উঠে আসবে এবং এটা আমাদের জন্য দেশীয় দায়িত্ব নয়, এটা কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল অবলিগিশন। কেন বাইরে থেকে বিভিন্ন দেশের লোকরা কথা বলে? এর কারণটা হচ্ছে আমাদের ইউনাইটেড ন্যাশন ইউনিভার্সাল ডিক্লারেশন অব হিউম্যান রাইটস যেটা মূল ডকুমেন্টস অব দি ইউনাইটেড ন্যাশন এর মেম্বার হওয়ার ক্ষেত্রে মূল নথি। সেখানে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি মানদণ্ড নির্ধারণ করা আছে। আরেকটি আছে আইসিসিপিআরে (ইন্টারন্যাশনাল কোভেন্যান্ট অন সিভিল অ্যান্ড পলিটিক্যাল রাইটস) মানুষের যে ভোট দেওয়ার অধিকার এবং ভোট পাওয়ার অধিকার, নির্বাচিত হওয়ার অধিকার এবং কীভাবে নির্বাচিত হবে, মানদণ্ড টা কী হবে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে। আমরা ওটাতে অনুস্বাক্ষর করেছি। কাজেই আমাদের রাষ্ট্রের প্রতি যেমন দায়বদ্ধতা আছে, ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটির প্রতিও আমাদের দায়বদ্ধতা আছে। ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটির প্রতি আমাদের যে দায়বদ্ধতা, সেটাকে আমরা স্বীকার করি। জনগণের কাছে আমাদের যে দায়ভার, সেটাও আমরা স্বীকার করি।

তিনি আরও বলেন, সিলেট বিভাগে যারা আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন, তাদের সাথে মতবিনিময় করেছি। প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সাথেও মতবিনিময় করেছি। সকল প্রার্থীর বক্তব্য আমরা শুনেছি। তাদের বক্তব্য যথেষ্ট ইতিবাচক ছিল। তারা কিন্তু পরিবেশকে যথেষ্ট অনুকূল বলেছেন। আবার কেউ কেউ কিছু আজগুবি কথা বলেছেন, ভোট যেখানেই হোক মানুষ বলছে ভোট তো এক জায়গায় চলে যাবে। ওটার ব্যাপারে আমরা আশ্বস্থ করেছি, যেটা আশ্বস্থ করারও প্রয়োজন পড়ে না। ওইটা এমনি এক অবান্তর ধারণা যেটা কখনোই সম্ভব না। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো একটি জায়গায় ভোট দিলে আরো একটি জায়গায় চলে যাবে এটা কোনোভাবেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। শতভাগ নিশ্চয়তা দেওয়া যায়, ওই ঘটনাটি ঘটবে না।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।