আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সিলেট বিভাগজুড়ে ব্যাপক ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)।
ঈদকে কেন্দ্র করে জাল টাকা চক্র, টিকিট কালোবাজারি, অজ্ঞান পার্টি, পকেটমার ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে চিরুনি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
রোববার (২৪ মে) সিলেটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-৯ এর অধিনায়ক মো. তাজমিনুর রহমান চৌধুরী।
র্যাব জানিয়েছে, পুলিশ, বিজিবি, আনসারসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে পুরো নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
সিলেট বিভাগের চার জেলা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুমোদিত মোট ২৪৫টি পশুরহাটকে কেন্দ্র করে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
পশুরহাটের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ড্রোন ক্যামেরা। এছাড়া যেকোনো ধরনের নাশকতা বা সন্দেহজনক বস্তু শনাক্তে কাজ করবে বিশেষ সুইপিং টিম।
সিলেট মহানগরে ৪টি এবং জেলা পর্যায়ে ২টি করে মোট ১২টি মোবাইল সাপোর্ট টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এই টিমগুলো পশুরহাট, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, শপিং মল ও জনসমাগমপূর্ণ স্থানে সার্বক্ষণিক টহল ও নজরদারি চালাবে।
সংবাদ সম্মেলনে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু ও অবৈধ চোরাই পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরা হয়।
র্যাব-৯ অধিনায়ক মো. তাজমিনুর রহমান চৌধুরী জানান, সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে চেকপোস্ট জোরদার করা হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
বিগত দুই মাসে ভারতীয় জিরা, শাড়ি, কসমেটিক্সসহ বিভিন্ন চোরাই পণ্যবাহী অন্তত ৫ থেকে ১০টি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “ঈদে মানুষ যাতে নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে কেনাকাটা ও চলাচল করতে পারে, সে লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে র্যাব-৯। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের টিম সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”
