সিলেটকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব ‘স্মার্ট সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে কসোভো সরকারের প্রযুক্তিগত ও উন্নয়ন সহযোগিতা কামনা করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক)। জবাবে সিলেটের সামগ্রিক উন্নয়নে পাশে থাকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে কসোভো।
রোববার (২৪ মে) দুপুরে সিলেট নগর ভবনে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত কসোভো প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানার (Lulzim Pllana) এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি আসে।
বৈঠকে সিলেট নগরীর সঙ্গে কসোভোর বিভিন্ন শহরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, শিক্ষা, বাণিজ্য, সংস্কৃতি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানাবিধ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। বিশেষ করে কসোভো ও সিলেটের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা জোরদার এবং উভয় দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞান ও সংস্কৃতি বিনিময় কর্মসূচি চালুর বিষয়ে দুই পক্ষই একমত পোষণ করেন।
কসোভোর রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা সিলেটের অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, সিলেটের আধুনিকায়ন এবং টেকসই নগর উন্নয়নে কসোভো সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের উন্নয়ন অংশীদারিত্ব অব্যাহত থাকবে।
এর আগে রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা নগর ভবনে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক বলেন, “সিলেট তার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য, অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিশাল প্রবাসী কমিউনিটির জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত। বর্তমানে আমরা সিলেটকে একটি পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।” এই রূপান্তর প্রক্রিয়ায় তিনি কসোভোর প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিসিক সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থসহ কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
