সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে এবার ২৭টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব পালিত হচ্ছে। তারমধ্য সার্বজনীন ২৫ টি ও পারিবারিক ২টি। মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে আজ বুধবার (৯ অক্টোবর) শুরু হচ্ছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। আগামী ১৩ অক্টোবর রোববার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ৫ দিনব্যাপী এই উৎসবের।
লোকনাথ পঞ্জিকা অনুযায়ী, আজ ৯ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, ১০ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ১১ অক্টোবর মহাষ্টমী ও ১২ অক্টোবর মহানবমী। এরপর ১৩ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে সমাপ্তি ঘটবে শারদীয় দুর্গোৎসবের।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নারদ বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ চন্দ্র সরকার জানান, উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিটি মণ্ডপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাসহ থাকছে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রতিটি মন্দিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রতিটি মণ্ডপের বর্তমান অবস্থা স্বাভাবিক। সবকিছু ঠিক আছে। তাই মণ্ডপের নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের মাঝে কোনো শঙ্কা নেই। তবে মণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর কথা থাকলেও সব মন্দিরে সিসিটিভি স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোছাম্মৎ সেলিনা বেগম জানান, উপজেলার পুজামন্ডপে আইন শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে প্রতিটি মণ্ডপে ৪ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলা আনসার ও ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। ২৭ মণ্ডপে মোট ১৮০জন আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা রয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজায়ের আল মাহমুদ আদনান জানান, প্রত্যেকটি পূজামণ্ডপে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উপজেলা জুড়ে হিন্দু ধর্মবলম্বীরা যাতে কোনো ধরনের শঙ্কা ছাড়াই পূজা উদযাপন করতে পারেন সে রকম প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ ও আনসার-ভিডিপির পাশাপাশি সাদা পোশাকে পুলিশ ছাড়াও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন।
