#সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড
সিলেটে চলতি বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করার পরে সেটিই ছিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। সেই রেকর্ড সপ্তাহের ব্যবধানে আরেক বৃহস্পতিবার ভেঙেছে। বৃহস্পতিবার বেলা ৩ টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যেটি এখনপর্যন্ত চলতি বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।
এর আগে সারাদেশে তীব্র দাবদাহ চললেও মাঝে কয়েকদিন সিলেটে ছিল আবহাওয়া স্বস্তিদায়ক ছিল। আর এই স্বস্তির পর এবার পড়েছে গরম। এই গরমে লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে উঠছেন। লোকজন অস্থিরতা অনুভব করছেন। হঠাৎ করে এমন গরমে নাজেহাল অবস্থা মানুষের। এরমধ্যে আবার আবহাওয়া অধিদপ্তর তাপমাত্রা বাড়ার আভাস দিয়েছে।
সিলেটে গত ২ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে তীব্র দাবদাহ। মাঝখানে সোমবার বৃষ্টি দিলেও কমেনি তাপমাত্রা। প্রতিদিন বাড়তেই আছে। এই কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ৩৫-৩৬ ডিগ্রী থাকলেও অনুভূতির কোটা যেন ৪৪-৪৭ এর ঘরে। কোনোভাবেই সহ্য করতে পারতেছেন না মানুষ। এই গরম চলে গেলেই যেন তারা হাফ ছেড়ে বাঁচেন। বৃহস্পতিবার এই গরমের মাত্রা মানুষের অনেকটা নাগালের বাইরে চলে গেছে। কোনোভাবেই গরমের সাথে যেন তারা নিজেদের মানিয়ে নিতে পারতেছেন না। পারছেন না ঠিকমতো তাদের দৈনন্দিন কাজ করতে। অনেকেই জরুরি কাজ না থাকলে বাইরে বেরুচ্ছেন না। আবার যাদের বাইরে না বেরিয়ে উপায় নেই, তাদের এই অসহ্য গরমকে উপেক্ষা করেও কাজ করতে হচ্ছে। গরমের সঙ্গে বিদ্যুতের লোডশেডিংও যেনো মরার উপর খারার ঘাঁ। অসহনীয় গরমে বেশিভাগ সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না। শহরের চেয়ে গ্রামাঞ্চলের অবস্থা ভয়াবহ। সবমিলিয়ে তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন।
নগরের রিকশাচালক আজিজ মিয়া জানান, গরমে বাঁচার কোনো উপায় নেই। এই গরমের চেয়ে বৃষ্টিও ভালো। তবুও এই গরম থেকে মুক্তি চাই। গরমের কারণে রিকশাও চালানো যাচ্ছে না। তবুও পেটের দায়ে রিকশা নিয়ে রাস্তায় বের হতে হয়েছে।
সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার চলতি বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। দেশে সাধারণত মার্চ, এপ্রিল, মে ও জুনে গরম বেশি থাকে। এই সময়ে গরম কিছুটা কমে বৃষ্টি হলে।
আগামী কয়েকদিন এরকম গরম থাকতে পারে। তাপমাত্রা আরো বাড়তেও পারে।
