সিলেটে ব্রাকের ইমপ্রুভড সাসটেইনেবল রিইন্ট্রিগ্রেশন অব বাংলাদেশি রিটার্নি মাইগ্রেন্টস (প্রত্যাশা-২) প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মোবারক হোসেন।
সিলেটের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত আনজুম ও ব্রাকের কেইস ম্যানেজমেন্ট অফিসার মীর আরশাদুল হকের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসান। এসময় তিনি বলেন, দালালদের মাধ্যমে না গিয়ে বৈধ উপায়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্র্যাকের পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন দপ্তরও কাজ করছে। এই সুবিধাগুলো প্রবাসীদের কল্যাণে তাই বাইরে যাওয়ার আগেই প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সবকিছু যাচাই-বাছাই করে সঠিক উপায়ে যাওয়া উচিত।”
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের ম্যানেজার নুসরাত জাহান নিশাত। তিনি বলেন, “বিদেশ-ফেরত বাংলাদেশিরা যেন দেশে এসে ফের ঘুরে দাঁড়াতে পারেন সেজন্য অনেকদিন ধরে ব্র্যাক কাজ করছে। ২০১৭ থেকে ২০২২ এই সময়ে প্রত্যাশার প্রথম ধাপ বাস্তবায়ন শেষে আমরা এখন দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু করেছি। সারা দেশে মাঠ পর্যায়ে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, সিলেটে ৫ টি উপজেলার অধীনে পুরো সিলেট ও মৌলভীবাজারের প্রবাসীদের সেবায় কাজ করা হচ্ছে৷”
স্বাগত বক্তব্য দেন ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়কারী অনিক আহমেদ অপু।
এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) হারুন-অর রশীদ, জেলা সমাজ সেবা অফিসের উপ-পরিচালক মো. আব্দুর রফিক, জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন, বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির সিলেট বিভাগীয় প্রধান সৈয়দা শিরিনা আক্তার, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মো ইকরামুল কবির, ইঞ্জিনিয়ার মো. খুরশেদ হোসাইন, ব্রাকের এমআরএসসি কো-অর্ডিনেটর শুভাশীস দেবনাথ প্রমুখ।
সভায় প্রত্যাশা ২ প্রকল্পের আওতায় প্রথম সাপোর্ট পাওয়া গ্রিস ফেরত প্রবাসী জনি তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন ও সৌদি ফেরত লিপি বেগম দালালের খপ্পরে পড়ে গৃহকর্মী হিসেবে গিয়ে তার উপর হওয়া নির্যাতনের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- জেলার অভিবাসন বিষয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, সাংবাদিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, বিদেশ-ফেরত অভিবাসী ও তাদের পরিবারের সদস্যগণ।
