রবিবার , ১১ আগস্ট ২০২৪, ৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:৫৭
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কোম্পানীগঞ্জে দুই অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম

ডেস্ক রিপোর্ট
আগস্ট ১১, ২০২৪ ৭:৩১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ২ কলেজ অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার দুপুরে উপজেলা সদরের থানাবাজার পয়েন্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে শিক্ষার্থীরা এই মানববন্ধন করেন। এসময় তারা ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেন।

অভিযুক্ত অধ্যক্ষরা হলেন- এম সাইফুর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম ও শহীদ স্মৃতি টুকেরবাজার স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম নবী।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোম্পানীগঞ্জের সমন্বয়ক আদনান সোহাগের সভাপতিত্বে ও শাহজাহান মিয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন- ইমন চৌধুরী, ওয়াসিম আহমদ প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, আমরা পূর্বেও কোম্পানীগঞ্জবাসী প্রশাসনের কাছে অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম ও অধ্যক্ষ শাহ গোলাম নবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলেও তার কোনো প্রতিকার পাইনি। যার দরুন তিনি আরও বেশি দুর্নীতি ও অনিয়ম করার সুযোগ পেয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি, অর্থ আত্মসাৎ, শিক্ষকদের লাঞ্ছিত, শারীরিক নির্যাতন এর অভিযোগ রয়েছে। আমরা বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে আহত হয়েও আজ আবার মানববন্ধনে নেমেছি এই দুই অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে। যদি তারা আগামী ৪৮ ঘন্টার ভিতরে পদত্যাগ না করেন, তাহলে আমরা পরবর্তীতে অপমান করে কলেজ থেকে বের করে দিতে বাধ্য হবো।

এসময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সমন্বয়ক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধন শেষে তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবিদা সুলতানা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

এবিষয়ে এম সাইফুর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম বলেন, আমি শুনেছি এই মানববন্ধনের ব্যাপারে। কয়েকজন শিক্ষক এটার সাথে জড়িত আছেন। আমি শুনেছি তারা কয়েকজন ছাত্রকে ডেকে নিয়ে এই মানববন্ধন করিয়েছেন। কলেজ ফান্ডের টাকা তো কলেজ ফান্ডেই আছে। আমি এখানে আত্মসাৎ করবো কেন। পল্লী বিদ্যুতের ডাইরেক্টর হয়েছে এক শিক্ষক, তার বেতন কমিটি বন্ধ করেছে। সেও আছে শুনেছি এটার উদ্যেগে। এরকম আরো অনেকে আছেন। এটা অতীতের ক্ষোভ। এটা করিয়েছে মোর্শেদ। সে এলাকার লোক। আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লোক চাকরি করি ২২/২৩ বছর থেকে। সে বাড়ি বাড়ি গিয়ে লোকজন জড়ো করে এটা করিয়েছে। কলেজের দায়িত্বে ছিলেন সরকার দলের লোক। আমরা সরকারি প্রোগ্রাম করেছি, তাদের সাথে কলেজের স্বার্থে উঠাবসা করেছি। সেও এটা করেছে। এখন এই পরিস্থিতিতে সে মানুষের কাছে উল্টাটা বলতেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবিদা সুলতানা বলেন, ছাত্ররা আমার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন এবং উনাদের ব্যাপারে বলেছেন। আমি বের হওয়ার সময় দিয়েছেন বিধায় আমি এটা দেখতে পারি নি। আপাতত রাখছি। দেখবো কি করা যায়।যেহেতু এটা রেখেছি, সেহেতু ব্যবস্থা নিবো।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।