জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ২০১৯ সালের রচনা প্রতিযোগিতার ‘গ’ শাখায় উত্তম পুরস্কার পেয়েছে সিলেট বিজিবি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী আয়শা আক্তার শারমিন। গত সোমবার বিকেলে গণভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শারমিনের হাতে প্রাইজমানি ও সনদপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শারমিন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বুড়িডহর গ্রামের বাসিন্দা ও জগন্নাথপুর উপজেলার চরা জামেয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোঃ ছালেহ আহমদ এর দ্বিতীয় মেয়ে।
মাওলানা ছালেহ আহমদ জানান, ২০১৯ সালে একাদশ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত অবস্থায় শারমিন এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন। কিন্তু, কোভিডের কারণে তখন পুরস্কার বিতরণ হয়নি। এবার তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। শারমিন বর্তমানে সিলেট এমসি কলেজে সমাজবিজ্ঞান অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত।
প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার ৯৯তম, শততম, ১০১তম, ১০২তম, ১০৩তম এবং ১০৪তম জন্মবার্ষিকীর প্রতিযোগিতার বিজয়ী ৩০৪ প্রতিযোগীর মাঝে এই পুরস্কার বিতরণ করেন। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের সভাপতি ও বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী হাশেম খান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর মো. নজরুল ইসলাম খান অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান এবং দুঃস্থদের সহায়তার জন্য তাঁরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট গঠন করেছেন।
