হরতালের দ্বিতীয় দিনে সিলেটে পিকেটিং করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। সোমবার ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশা ভাংচুর এবং টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। এছাড়া নগরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরাও হরতালের সমর্থনে মিছিল করেছেন।
সোমবার সকাল ৯টায় নগরের মেন্দিবাগ পয়েন্টে (উপশহর) যুবদলের কয়েকজন নেতাকর্মী পিকেটিং শুরু করেন। এসময় তারা হরতাল হরতাল স্লোগান দিয়ে একটি ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুর করেন। তখন আশপাশ এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সটকে পড়েন পিকেটাররা।
এ ব্যাপারে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি-তদন্ত) সুমন কুমার চৌধুরী বলেন, উপশহর পয়েন্টে দুর্বৃত্তরা পিকেটিংয়ের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই তারা পালিয়ে যান।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার তেলিবাজারে মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী আহসানসহ কয়েকজন নেতাকর্মী একটি কাভার্ড ভ্যান ও সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুর করেন। এসময় ঘটনাস্থল থেকে সামাদ নামের এক ছাত্রদলকর্মীকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
সকাল সাড়ে ৬টায় নগরের শাহী ঈদগাহে যুবদল নেতা লিটন আহমদ ও জামাল আহমদ খানের নেতৃত্বে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন নেতাকর্মীরা।
এছাড়া সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাহবুল হক চৌধুরী ও সদস্য সচিব আফসর খানের নেতৃত্বে হরতালের সমর্থনে সকাল পৌনে ৮টায় মিছিল বের হয়। মিছিলটি নয়াসড়ক থেকে শুরু হয় তাতীপাড়া গলির মুখে এসে শেষ হয়।
এছাড়া দুপুর ১২টায় নগরের চৌহাট্টা-মীরবক্সটুলায় সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল ও সদস্য সচিব শাকিল মোরশেদের নেতৃত্বে হরতালের সমর্থনে আরেকটি মিছিল বের হয়।
দুপুরে মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মির্জা সম্রাট হোসেনের নেতৃত্বে নগরের দরগাহ গেইট এলাকায় পিকেটিং শেষে মিছিল সমাবেশ করে যুবদল।
