মোংলা-পায়রা উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় “মিধিলি”। ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার বাতাসের গতি শক্তি নিয়ে খেপুপাড়ার কাছ দিয়ে এটি অতিক্রম করছে।
ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রভাগ শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে উপকূল স্পর্শ করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন জানান, ঘূর্ণিঝড়টি আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে সন্ধ্যা নাগাদ পুরোপুরি স্থলভাগে উঠে আসতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মিধিলির প্রভাবে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূলে বাতাসের গতি বেড়ে গেছে। দুপুর ১২টার দিকে গতিবেগ ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার হয়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড়ের বাতাসের গতি বাড়ছে। এটি আরও অগ্রসর হচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড়টি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা ও লক্ষ্মীপুর জেলায় ৫,৬০০ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব জেলার জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য ও অন্যান্য সহায়তা পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’র প্রভাবে দেশের আট উপকূলীয় জেলায় জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। ইতোমধ্যে এর প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে বৃষ্টি। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও টুলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
এদিকে, মিধিলির প্রভাবে সিলেটেও সকাল থেকে বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
