ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন জৈন্তাপুর উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান ও প্রার্থী কামাল আহমদ। মঙ্গলবার বিকেলে জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান। কামাল আহমদ জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি এবারের নিবার্চনেও ঘোড়া মার্কা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনী মাঠে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালালেও মঙ্গলবার তিনি নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে দাঁড়ান।
সংবাদ সম্মেলনে কামাল আহমদ বলেন, আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় ও পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যার কারনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। জৈন্তাপুর উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ মনোনীত প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে পুনরায় চেয়ারম্যান পদে প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলাম। প্রচারণার সময় সবার সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেয়েছি।
তিনি আরও বলেন, পারিবারিক নানা সমস্যার কথা বিবেচনা করে আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালাম। নির্বাচনী প্রচারণার সময় আমি দলমত নির্বিশেষে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেয়েছি। আমি সাময়িকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ালেও জৈন্তিয়ার মাটি ও মানুষের কল্যাণে আজীবন কাজ করে যাবো
এই অঞ্চলের মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অতীতের মত আমি আগামী’র পথচলায় জনগনের পাশে আছি এবং থাকবে। মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার রাজনৈতিক জীবনের মুল লক্ষ্য।
ভবিষ্যতে যেকোন নির্বাচনে বৃহত্তর পরিসরে জৈন্তিয়া এলাকার জনগনের সেবা করতে তিনি পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একটি আলোকিত ও সমৃদ্ধ জনপদ বিনির্মানে তিনি ভবিষ্যতে জৈন্তাপুরবাসীর সহযোগিতাও কামনা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক কামাল উদ্দিন, উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, ইউপি সদস্য জামাল আহমদ, যুবলীগ সদস্য সুমন আহমদ, ছাত্রলীগ নেতা মনসুর আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম পারভেজ, চারিকাটা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক রাসেল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসাইন।
উল্লেখ্য, জৈন্তাপুর উপজেলায় ৫ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ছিলেন। এখন কামাল আহমদ কমে যাওয়াতে আর ৪জন রইলেন। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন প্রার্থী ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
