আল হিলালের দেয়া বিশাল অঙ্কের প্রস্তাব আর সাবেক ক্লাব বার্সেলোনায় ফেরার পিছুটান, সব কিছু ছাড়িয়ে সবাইকে অবাক করে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাচ্ছেন আর্জেন্টাইন তারকা লিও মেসি । এমএলএসের দল ইন্টার মিয়ামিই হচ্ছে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের পরবর্তী ঠিকানা। আসছে জুলাইয়েই নতুন ক্লাবের হয়ে অভিষেক হতে পারে তার। এর আগেই সেখানে থাকার প্রস্তুতি সারছেন তিনি, ওঠছেন ফ্লোরিডার বিলাসবহুল এক এপার্টমেন্টে।
ফুটবল যাদুকরের পরবর্তী ঠিকানা হওয়ার দৌড়ে অনেকটা আড়ালেই ছিল ইন্টার মিয়ামির নাম। সাবেক ইংলিশ তারকা ফুটবলার ডেভিড ব্যাকহামের এ দল মেসিকে দলে নেয়ার দৌড়ে থাকলেও মূল আলোচনায় ছিল সৌদি ক্লাব আল হিলাল ও স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা। বার্সায় ফিরতে না পারলে মরুর দেশেই পাড়ি জমাবেন মেসি এমনটিই ছিল অনেকের ধারণা। তবে তা সত্য হয়নি। স্ত্রী-সন্তানের বসবাসের স্বচ্ছন্দের কথা ভেবেই যুক্তরাষ্ট্রমুখী হয়েছেন এলএমটেন এমনটাই খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। এবার জানা গেলো, পরিবার নিয়ে ফ্লোরিডার সাগরপাড় ঘেষা এক এপার্টমেন্টে ওঠছেন মেসি, যাতে আছে বসবাসের আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা।
এতদিন যুক্তরাষ্ট্রে না থাকলেও মেসি আরও আগে থেকেই সেখানকার বাসিন্দা। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম কাদেনা সার রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৯ সালেই ফ্লোরিডায় একটি এপার্টমেন্ট কিনে রেখেছিলেন। পোর্শ ডিজাইন টাওয়ারের সেই এপার্টমেন্টেই ওঠছেন তিনি। ৯ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় একশ কোটি টাকা দিয়ে কেনা সে এপার্টমেন্টে আছে বিলাসিতার সব উপকরণ।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এ এপার্টমেন্ট থেকে ২৫ মিনিটেই মিয়ামির স্ট্যাডিয়ামে পৌঁছাতে পারবেন মেসি। এছাড়াও ৬০ তলা বিশিষ্ট এ বিলাসবহুল এ ভবনে আছে একটি প্রাইভেট রেস্তোরা, আছে গাড়ির জন্য আলাদা লিফট। নিজের ঘরে বসেই মিয়ামি সাগরপাড়ের অপরূপ সৌন্দর্য্যও উপভোগ করতে পারবেন আলবিসেলেস্তে অধিনায়ক।
