সিলেটে বাড়ছে নদনদীর পানি। টানা বৃষ্টিপাতে কুশিয়ারা নদীর ৩ টি পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। সিলেটের আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, সিলেটে বুধবার সকাল ৬ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে ২৬.৪ মিলিমিটার। আর মঙ্গলবার সকাল ৬ টা থেকে বুধবার সকাল ৬ টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে ৩৭ মিলিমিটার।
সিলেটের আবহাওয়া অফিসের উপ-সহকারী আবহাওয়াবিদ অমর চন্দ্র জানান, সিলেটের আবহাওয়া আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা। আগামী ২৪ ঘণ্টা অস্থায়ী দমকা হাওয়া সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি সহ এলাকার বেশিরভাগ জায়গায় মাঝারিভাবে ভারী থেকে খুব ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সিলেটের পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়, বৃষ্টিপাত বাড়ায় সিলেটের নদ-নদীর পানিও বেড়েছে। কুশিয়ারা নদীর ৩ টি পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার সন্ধ্যা ৬ টায় কুশিয়ারা নদীর অমলশীদ, ফেঞ্চুগঞ্জ ও শেরপুর পয়েন্টে পানি বিপদসীমার যথাক্রমে ৬, ৬৫ ও ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বাকি নদীগুলোর পানিও বিপদসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হচ্ছে।
পাউবো সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, ভারতের আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য বন্যায় ৪ থেকে ৫০০ মানুষের প্রাণহানী ঘটেছে। সেখানকার বন্যার পানি বাংলাদেশে পাহাড়ি ঢল হয়ে নামার কারণে দেশের নদনদীর পানি বৃ্দ্ধি পাচ্ছে।
গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পাহাড়ী ঢলে গোয়াইনঘাট উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সিলেট-রাধানগর সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সকালে পনি বাড়লেও বিকেলের দিকে কিছুটা কমতে শুরু করেছে।
