সিলেটে গরু ছিনতাইকালে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩টি গরুসহ ১টি ডিআই পিকআপ গাড়ী উদ্ধার করা হয়। সোমবার রাতে সিলেটের শহরতলির লাক্কাতুরা চা-বাগান এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ৩ জনকে আসামি করে ও অজ্ঞাতনামা আরো ৬/৭ জনদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জের সেলিম মিয়ার ছেলে তোফাজ্জল হোসেন (২১), সিলেটের এয়ারপোর্টের আহমুদুর রহমান খোকনের ছেলে মো. উমর ফারুক সফি (২০)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুনু মিয়া। তিনি জানান, তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানায়, সোমবার রাত সাড়ে আটটায় সুয়াইবুর রহমান (৪৩) ও মুসকিত আহমদ সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার টুকেরবাজার থেকে ৩টি গরু কিনে তাদের গরুর রাখালকে দিয়ে পিকআপে করে সিলেটে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পরে গাড়িটি সিলেট ক্যাডেট কলেজের সামনে পৌছলে০৪টি মোটরসাইকেল যোগে ৭/৮ জন অজ্ঞাতনামা ছিনতাইকারী তাদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে গাড়িটি থামানোর চেষ্টা করে। তখন গাড়ির চালক গাড়িটি না থামিয়ে যেতে থাকে। পরে লাক্কাতুরা বাজার সংলগ্ন এলাকায় ছিনতাইকারীরা গাড়ীটি চারদিক থেকে ঘিরে তাদের হাতে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৩টি ষাড় গরু ছিনিয়ে নিয়ে ওই গাড়ির চালক সোলেমানকে গাড়ী শহরের দিকে চালাইতে বলে। তখন পিকআপ গাড়ীর চালক সোলেমান চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন ও ট্রাক স্টেশনের শ্রমিকরা এসে ১নং আসামী তাফাজ্জল হোসেনকে (২১) তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ আটক করে। ঐসময়ে তার সঙ্গীরা তাদের ব্যবহৃত ৩টি মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৩টি ষাড় গরু উদ্ধার করে ও তাকে থানায় নিয়ে যায়। পরে লাক্কাতুরা চা-বাগান এলাকা থেকে মোঃ উমর ফারুক সফিকে (২০) চাকু সহ গ্রেপ্তার করে।
উক্ত ঘটনায় সিলেটের ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর (৭৪) বাদী হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় হবিগঞ্জের সেলিম মিয়ার ছেলে তোফাজ্জল হোসেন (২১), সিলেটের এয়ারপোর্টের ছত্তার মিয়ার ছেলে নূর ইসলাম (২৪), ওই এলাকার আহমুদুর রহমান খোকনের ছেলে মো. উমর ফারুক সফি (২০) ও অজ্ঞাতনামা আরো ৬/৭ জনদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
