প্রবাসীদের সমস্যা দূরীকরণ ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতেই ৩০ ডিসেম্বর “এনআরবি-ডে” ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এমপি।
তিনি বলেন,এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিশ্বব্যাপী ছডিয়ে থাকা প্রায় এক কোটির ও বেশী প্রবাসীদের সাথে দেশের আরো অংশীদারিত্ব বাড়ানো।সেই লক্ষ্যে আসন্ন এনআরবি ডে ঝাঁক জনক ভাবে পালনের জন্যে বাংলাদেশ হাই কমিশন লন্ডন সহ বিভিন্ন দূতাবাসকে নির্দেশ প্রদান করেছেন। মন্ত্রী বলেন প্রবাসীরা হচ্ছে আমাদের দেশের সব চেয়ে বড় বৈদেশিক মুদ্রার যোগান দাতা। যাঁদের শ্রমে ঘামে সমৃদ্ধ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার। সেই সাথে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা ক্ষেত্রে উচ্চাসনে থাকা আমাদের প্রবাসী পেশাজীদের সাথে কানেকটিভিটি বাড়িয়ে দেশ উপকৃত হতে পারে।
তিনি গত মঙ্গলবার দুপুরে লন্ডনের তাজ হোটেলে ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাষ্ট্রিজ (বিবিসিসিআই) এর ডিরেক্টরদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন।এসময় তিনি এনআরবি ডে নিয়ে বিবিসিসিআই এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টার কথা স্মরণ করে বলেন, ২০১৭ সালে সিলেটে ঐতিহাসিক এন আর বি ওয়ারল্ড কনভেনশনের সমাপনী অনুষ্ঠানে আমি নিজে দিবসটি বেসরকারী ভাবে পালনের জন্য তারিখ ঘোষনা করেছিলাম । উল্লেখ্য ২০১৭ সালের অক্টোবরে বিবিসিসিআই আয়োজিত এনআরবি কনভেনশনের সমাপনী অনুষ্ঠানে ঢাকা রিজেন্সী হোটেলে মন্ত্রী প্রতি বছর ৩০ ডিসেম্বর এনআরবি ডে’র ঘোষনা দেন যা গতবছর থেকে সরকারী ভাবে পালনের স্বীকৃতি পায় । এ সময় মন্ত্রী সিলেটের নব নির্বাচিত মেয়র আনোরুজ্জান চৌধুরীকে ৩০ ডিসেম্বর এন আর বি ডে উপলক্ষে তিন দিন ব্যাপী একটি উৎসব আয়োজনের পরামর্শ দেন এবং মেয়র তাতে সম্মতি প্রকাশ করেন।
সাক্ষাতকালে বিবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান রেনু ছাড়াও ডিরেক্টরদের মধ্যে সাবেক দুই প্রেসিডেন্ট শাহাগির বক্ত ফারুক, বশির আহমদ, সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর হক, ফাইন্যান্স ডিরেক্টর আতাউর রহমান কুটি, ভার প্রাপ্ত ডিজি দেওয়ান মেহেদী, ডিরেক্টর এন্ড এডভাইজার শফিকুল ইসলাম , ডিরেক্টর এ এইচ নুরুজ্জামান , লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম এবং সিলেটের সিটি কর্পোরেশেনর নব নির্বাচিত মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।বিজ্ঞপ্তি
