বৃহস্পতিবার , ২৭ জুন ২০২৪, ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, সকাল ৭:৩৮
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আবারো লোডশেডিংয়ের কবলে সিলেট

ডেস্ক রিপোর্ট
জুন ২৭, ২০২৪ ৭:২৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সিলেটে আবারো শুরু হয়েছে লোডশেডিং। প্রতি ২/৩ ঘণ্টার ব্যবধানে ঘণ্টাব্যাপী লোডশেডিংয়ে অতিষ্ট হয়ে উঠছেন নগর ও জেলার বাসিন্দারা। এতে করে বেড়েছে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি। চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে বলে এই ভোগান্তি বলে জানিয়েছে বিভাগীয় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড অফিস।

জানা যায়, গত সোমবার থেকে সিলেটে শুরু হয়েছে তীব্র লোডশেডিং। একদিকে ভারী বৃষ্টিপাত শেষে উঠেছে রোদ আর বেড়েছে গরম, তার ওপর শুরু হয়েছে বিদ্যুতের ভেলকিবাজি। এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়ার পরেই শুরু হয় আরেক ঘণ্টা লোডশেডিং। গরম বাড়ার সাথে সাথেই শুরু হয় এই লোডশেডিং। দুপুরে শুরু হয় এক ঘণ্টা পর আরেক ঘণ্টা লোডশেডিং। আর রাতেও আবার ঘুমানোর সময়ে হওয়া এই লোডশেডিংয়ে অতিষ্ট হয়ে উঠছেন নগর ও জেলার বাসিন্দারা।

গত বছরের গরমেও এরকম লোডশেডিং ছিল। তখন মানুষের যাতে ভোগান্তি না হয়, সেজন্য আগের দিন নোটিশের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হতো লোডশেডিংয়ের সময়সূচী। তখন আগেভাগে লোডশেডিংয়ের সময়সূচী জানার ফলে ততটা ভোগান্তিতে পড়তে হতো না তাদের। একসময় গ্রামে লোডশেডিং বেশি হলেও বর্তমানে নগর ও গ্রামে সমানতালে চলতেছে। তবে এখন আর নির্দিষ্ট কোনো নিয়মে হচ্ছে না লোডশেডিং। কখনো এক ঘণ্টা পর, আবার কখনো আধা ঘণ্টা পর লোডশেডিং হচ্ছে। আবার কোনো সময় দুই ঘণ্টা পরও লোডশেডিং হচ্ছে। কোনোসময় টানা ২ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের পর বিদ্যুৎ দিয়ে পরে আবার আধা ঘণ্টা পরই আবার আরো এক ঘণ্টার লোডশেডিং। গত সোমবার দুপুর থেকে এভাবেই চলছে সিলেটে বিদ্যুতের ভেলকিবাজি। আর বর্তমানে গরমের শুরুতে এই অবস্থা হওয়াতে বিপাকে রয়েছেন নগর ও উপজেলার বাসিন্দারা।

বিভাগীয় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড অফিস সূত্রে জানা যায়, সিলেট জেলায় প্রতিদিন ১৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। আর বিভাগে প্রতিদিন পিডিবির ২১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি থাকায় প্রতিদিন তাদেরকে সব জায়গায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ লোডশেডিং করতে হয়। এজন্য এই বারবার এই লোডশেডিং বলে জানেয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সিলেট নগরের বাসিন্দা ও জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল হেলাল জানান, বেশ কয়েকদিন থেকে প্রচন্ডে লোডশেডিংয়ের কবলে আমাদের পড়তে হয়। এই লোডশেডিং দুপুর এবং রাতে বেশি হয়। এমনিতেই আমাদের কোর্টে গরম কাপড় পরে থাকতে হয়। এখন এই গরমের মধ্যে গরম কাপড় পরে থাকি আর এসময়ই দেখা দেয় লোডশেডিং। এসময় খুব কষ্ট হয় আর এটা আসলে বিরক্তিকর এবং সহ্য করার মতো না। এই কষ্ট থেকে আমরা মুক্তি চাই।

সিলেটের বিভাগীয় বিদ্যুৎ অফিসের সহকারী প্রকৌশলী মো. জারজিসুর রহমান রনি বলেন, আজকে সকালে আমাদের লোডশেডিং ছিল। বারোটার দিকে লোডশেডিং অফ করে দিছি। এখন আর লোডশেডিং নেই। লোডশেডিং হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে। একারণে আমরা মানুষকে বিদ্যুৎ দিতে পারতেছি কম। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যে জ্বালানি লাগে, সেটার খরচ এখন বৃদ্ধি পেয়েছে। এই জ্বালানি খরচ কমানোর জন্য এখন প্ল্যান করে একটু লোডশেডিং হচ্ছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।