বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সত্তরের দশকের ছাত্রনেতা, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য, বিশিষ্ট সমাজসেবী, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ মো. নুরুল আমিন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার দিবাগত রাত ১২ টা ১০ মিনিটে সিলেট নগরীর আম্বরখানাস্থ বড়বাজারের নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
মো. নুরুল আমিন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার গৌরীনগর গ্রামের হাজী আব্দুল করিমের (করিম হাজী) বড় ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্যও ছিলেন।
তাঁর প্রথম নামাজে জানাজা মঙ্গলবার বাদ জোহর সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ মসজিদে ও দ্বিতীয় জানাজা বাদ আছর গৌরীনগর আল বারাক্বাহ মুহাম্মাদিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
বিভিন্ন মহলের শোক:
মো. নুরুল আমিনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী এমপি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. নাসির উদ্দিন খান, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আলী আমজদ ও সাধারণ সম্পাদক হাজী আপ্তাব আলী কালা মিয়া।
পৃথক পৃথক শোক বিবৃতিতে তারা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
