বুধবার , ৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, সকাল ৭:৩৮
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত ব্রিগেডিয়ার আব্দুল মালিক

সিলেটের সকাল রিপোর্ট:
ডিসেম্বর ৬, ২০২৩ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বাংলাদেশে হৃদরোগ চিকিৎসার জনক, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা, তত্ত¡বধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) ডা. আব্দুল মালিক। বুধবার বাদ আসর গ্রামের বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমার কুচাই পশ্চিমপাড়া (নয়াগাও) গ্রামে নিজের উদ্যোগে তার মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত সৈয়দা নুরুন্নেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজাশেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ১১টায় সিলেট হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল প্রাঙ্গণে তার আরেকটি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া, মঙ্গলবার ঢাকায় তার তিনটি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে বার্ধক্যজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন । তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। বুধবার সকালে সড়ক পথে তাঁর লাশ সিলেট এসে পৌঁছে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, একমাত্র কন্যা ও দুই পুত্রসহ অসংখ্যা আতœীয় স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর একমাত্র কন্যা প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ফজিলা-তুন-নেছা মালিক, এক পুত্র মোঃ মাসুদ মালিক ব্যবসায়ী এবং দ্বিতীয় পুত্র মনজুর মালিক কানাডায় গবেষণা কর্মে নিয়োজিত।
তিনি দীর্ঘদিন থেকে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে হৃদরোগের চিকিৎসা প্রদান করায় সকল মহলে ‘মানবিক চিকিৎসক’ হিসেবে স্বীকৃতি পান। তাঁর মৃত্যুতে সিলেটের চিকিৎসক, শিক্ষক, রাজনীতিবিদসহ বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। সিলেটের কৃতিসন্তান মরহুম ডা. আব্দুল মালিক বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হৃদরোগ চিকিৎসার জনক ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হৃদরোগ বিভাগ চালু হয়। পাকিস্তানে ১৯৭০ সালে ও বাংলাদেশে ১৯৮২ সালে প্রথম ওপেন হার্ট সার্জারি চিকিৎসা সম্পন্ন হয় তাঁর উদ্যোগে। তাঁর প্রচেষ্টায় ১৯৭৮ সালে ঢাকায় জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি ১৯৭৮ সালে চিকিৎসকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষদের নিয়ে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ৪৩টি এফিলিয়েটেড বডির মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত কমমূল্যে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হৃদরোগের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে। ২০০৪ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কার পান এবং ২০০৬ সালে জাতীয় অধ্যাপক পদে ভূষিত হন। ২০০১ সালে তিনি তত্ত¡বধায়ক সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।