সোমবার , ১২ মে ২০২৫, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১২:৫৭
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কানাইঘাট উপজেলা বিএনপি সভাপতিকে শোকজ

স্টাফ রিপোর্টার
মে ১২, ২০২৫ ৭:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সামাজিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি মামুন রশিদকে শোকজ করেছে বিএনপি। রোববার রাত সাড়ে ১২ টায় সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে তাকে এই কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়। আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যানকে ধরে জেলে দেওয়ার কারণে এই শোকজ করা হয়েছে বলে অভিযুক্তের দাবী।

শোকজে বলা হয়, কানাইঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে আপনার দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকেও সম্প্রতি আপনি এমন কিছু কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন, যা সামাজিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি দলের দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং তা দলীয় আদর্শ, শৃঙ্খলা ও নীতিমালার পরিপন্থী। আপনার এ ধরনের অবস্থানকে সংগঠনের বিরুদ্ধে কার্যত বিরুদ্ধাচরণ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

আরও উল্লেখ করা হয়, অতএব, কেন আপনার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে (সর্বশেষ ১৯ মে) লিখিতভাবে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হলো। ব্যাখ্যার ভিত্তিতে গঠনতন্ত্র অনুসারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

এর আগে রোববার কানাইঘাট সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক আফসার উদ্দিন আহমদ স্থানীয় একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে কিছু ব্যক্তি তাঁকে মারধর করে মামুন রশীদের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে মামুন রশীদ তাঁকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে আফসারকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই মামুন রশীদকে কারণ দর্শানো হয়েছে বলে মামুন রশীদ দাবি করেছেন।
এবিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মামুন রশিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, আওয়ামীলীগ নেতা আফসার উদ্দিন আহমদকে পুলিশে দেওয়ার ঘটনায় মূলত আমাকে এই শোকজ করা হয়েছে। আসলে আমি তাকে মারধরের ঘটনা জানতাম না। হঠাৎ কয়েকজন তাকে ধরে আমার বাড়িতে নিয়ে আসেন। তখন আমি তাদের কাছ থেকে তাকে উদ্ধার করে সবাইকে বের করে আমার ঘরে নিয়ে বসি। তাকে আমি আগের ঘটনার জন্য অনুতপ্ত হওয়ার বিষয়ে বলছিলাম। কিন্তু, সে কোনোভাবেই অনুতপ্ত না। এজন্য আমি তাকে একটু গালাগালি করছিলাম, এটা কে মনে হয় জানালার ফাঁক দিয়ে ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে দিয়েছে। পরে আমি এটা দেখেছি। অথচ আমি আমার ঘরে তাকে রক্ষা না করলে সেখানে বড় কোনো ঘটনা ঘটতে পারতো। অথচ এই চেয়ারম্যানের কারণে আমরা কোনো সভা করতে পারতাম না।

এবিষয়ে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, তাকে শোকজের কারণ উল্লেখ করে শোকজ করা হয়েছে। তাকে নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।