সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন উপলক্ষে প্রস্ততিমূলক সভা হয়েছে। সোমবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ সভা হয়।
সভায় জানানো হয়, আজান ও নামাজের সময় মাইক ও বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার সীমিত রাখতে হবে। হিন্দি গান ও অশ্লীল নৃত্য পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে। থানা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিটি পূজামণ্ডপ এলাকায় সর্বোচ্চ আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। পুলিশ ও আনসারের পাশাপাশি নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ পূজার নিরাপত্তার সার্বিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবিদা সুলতানার সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি উজায়ের আল মাহমুদ আদনান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার লুৎফুর রহমান, ইসলামপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী জিয়াদ আলী, উত্তর রনিখাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাস্টার ফয়জুর রহমান, উপজেলা পূজা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নারদ বিশ্বাস, কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবিদুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার কামরুজ্জামান রাসেল, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা টিটু কুমার দে, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মোছাম্মৎ সেলিনা বেগম, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী খোরশেদ আলম প্রধান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বিদ্যুৎ কান্তি দাস, উপজেলা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের নেতা কাজল সিংহ, উপজেলা পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ চন্দ্র, উপজেলা ফায়ার সার্ভিস এণ্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশন কর্মকর্তা নব কুমার সিংহ, বিজিবির কালাসাদক বিওপির নায়েব সুবেদার নুরুল আমিন, কালাইরাগ বিওপির কমান্ডার রফিক, উৎমা বিওপির নায়েব সুবেদার ওয়াহাব, জীবনপুর সার্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সৈলেন চন্দ্র নাথ, কালাইরাগ পূর্বপাড়া পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি কাজল রায়, দয়ারবাজার-খুশিরবাজার পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বিজন সরকার, কালাইরাগ পশ্চিম পাড়া পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শংকর মন্ডল, বিষ্ণুপুর পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি তাপস, পুরান বালুচর পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি রাধিকা সিংহ প্রমুখ।
এছাড়াও সভায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার নেতারা, বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সরকারি কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও মসজিদের ইমামসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা পূজা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নারদ বিশ্বাস জানান, ‘চলতি বছর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মোট ২৮টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ৯ অক্টোবর মহাষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ১৩ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে পাঁচ দিনব্যাপী বৃহত্তম এ ধর্মীয় উৎসব সম্পন্ন হবে।’
