হরতালে নাশকতায় ঘটনায় সিলেট জেলায় ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে ৩৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে। জেলার গোলাপগঞ্জ, জকিগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর থানায় পৃথকভাবে পুলিশ বাদি হয়ে এই ৪টি মামলা দায়ের করে। এসব মামলায় এখন পর্যন্ত ৭জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) শেখ মো.সেলিম।
পুলিশ জানায়, গত শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে কালিগঞ্জ বাজারস্থ যাত্রী ছাউনির সামনে জকিগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কের উপর বিএনপি-জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে নাশকতামূলক কর্মকান্ড ঘটানোর উদ্দেশ্যে অবস্থান করে। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পুলিশকে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে ককটেল বোমা নিক্ষেপ ও দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগে উঠে। এ ঘটনায় বিএনপি-জামায়াতের ২২ নেতাকর্মীর নাম এজাহারভূক্ত করে ১০০ থেকে ১৫০ নেতাকর্মীকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত বিএনপি নেতা সাব্বির আহমদকে (৩৫) রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সে জকিগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর ইউপির মোহাম্মদপুর গ্রামের জালাল আহমদ ককা মিয়ার ছেলে।
এদিকে, হরতাল চলাকালে জৈন্তাপুরের সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের হরিপুর বাস-স্টেশন এলাকায় পিকেটিং করার সময় গাড়িতে হামলা চেষ্টার অভিযোগে বিএনপির ৪ কর্মী-সমথর্ককে আটক করে পুলিশ। এঘটনায় জৈন্তাপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জৈন্তাপুর উপজেলার লামা শ্যামপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রবের ছেলে হরিপুর বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক শোয়েব আহমদ(২৮), হেমু দত্তপাড়া গ্রামের জমছিদ মিয়ার ছেলে কৃষক বদরুল ইসলাম (৩৫), বাগেরখাল দলইপাড়া গ্রামের হাঃ আব্দুল মজিদের ছেলে আরিয়ান আহমদ এনাম, উপর শ্যামপুর গ্রামের হাফিজ উল্লার ছেলে নাছির আহমদ।
এছাড়া পুলিশ বাদী হয়ে আরও দুটি মামলা দায়ের করে গোলাপগঞ্জ ও গোয়াইনঘাট থানায়। এসময় ২ থানায় ২জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) শেখ মো. সেলিম জানান, চারটি থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
