বৃহস্পতিবার , ৫ অক্টোবর ২০২৩, ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:০২

সিলেটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপত্তা বিষয়ক সেমিনার

ডেস্ক রিপোর্ট
অক্টোবর ৫, ২০২৩ ১২:৪১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশে অনলাইন নিরাপত্তা বিষয়ে যুবসমাজের মাঝে সচেতনতা বিস্তারের লক্ষ্য “সাবধানে অনলাইন-এ” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট নগরীর হোটেল স্টার প্যাসিফিকে টিকটক ও জাগো ফাউন্ডেশন এর যৌথ উদ্যোগে ১০০ অংশগ্রহণকারী নিয়ে সাবধানে অনলাইনে – বিভাগীয় সম্মেলন শিরোনামে ভিন্নধর্মী একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা কোরবী রাকশান্দের সভাপতিত্বে ও পার্টনারশিপ এন্ড ব্রান্ডিং গ্রুপের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার নাজিবা নাজমি রশীদ অবনীর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, সিলেট প্রেসক্লাবের প্রেসিডেন্ট ইকবাল সিদ্দিকী, সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভাইস প্রেসিডেন্ট রাবেয়া আক্তার রিয়া, ইমফলুয়েন্সার সাকিব বিন রশীদ।

সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভাইস প্রেসিডেন্ট রাবেয়া আক্তার রিয়া বলেন, “ইন্টারনেট আমাদের জন্য বড় পাওয়া। বর্তমানে এমনকি বাচ্চারাদের কাছেও ইন্টারনেটের এক্সেস আছে। আমি অভিভাবকদের অনুরোধ করব ইন্টারনেটে তাদের বিচরন গভীরভাবে মনিটর করবেন যাতে করে তারা শুধুমাত্র ইন্টারনেটের ইতিবাচক দিকগুলোই বেছে নেয়।

সিলেট প্রেসক্লাবের প্রেসিডেন্ট ইকবাল সিদ্দিকী বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে আমরা অনলাইনে যুব-সম্প্রদায়কে বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনায় জড়িয়ে পড়তে দেখছি। আমি যুবক-যুবতীদের আহ্বান করব এই ধরনের ব্যাপারগুলো থেকে নিজেদের বিরত রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করা।” তিনি আরো বলেন, “ব্যাক্তিগত পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টির পাশপাশি স্কুল এবং কলেজ পর্যায়ে সাবধানে অনলাইনের মত কার্যক্রম আরও আয়োজন করা উচিত।”

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন -ইন্টারনেট ও বিশেষ করে সোশাল মিডিয়াতে যেই ত্রুটিপূর্ণ, অসত্য বা অনইতিক কনেটেন্টগুলো ছড়িয়ে পরছে তা প্রতিহত করতে হবে। আইনের যথাযথ ব্যাবহারের মাধ্যমে এগুলো প্রতিহত করা সম্ভব। কিন্তু সাধারন মানুষের সচেতনতা ছাড়া কোন কিছুতেই সফলতা আসবে না।”

ইমফলুয়েন্সার সাকিব বিন রশীদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সমাজের প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “ইন্টারনেটের সিকিউরিটির প্রতি নজর রাখার পাশাপাশি আমাদের এমন কন্টেন্ট থেকে আমাদের দূরে থাকা উচিত যা আমাদের মন মানসিকতা নষ্ট করে অর্থাৎ আমাদের সকল প্রকার নেতিবাচক কন্টেন্ট থেকে দূরে থাকা উচিত।” তিনি আরো বলেন “আরটিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স যেভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠছে, তাতে কিছুদিনপর সত্য-মিথ্যার ফারাক বোঝা আমাদের জন্য দুরহ হয়ে পড়বে। তাই ইন্টারনেটে যে কোন তথ্য বিশ্বাস করার আগে যাচাই করে নেয়া খুবই জরুরী।”

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগের নানা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ, সাংবাদিক, স্বনামধন্য সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার এবং জাগো ফাউন্ডেশন-এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ।

সিলেট বিভাগের মোট ৪ টি জেলায় কার্যক্রম পরিচালনার মধ্য দিয়ে মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু হয় উক্ত প্রকল্পের। মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম হিসেবে এই প্রত্যেকটি জেলায় “অনলাইন সেফটি আড্ডা” নামক দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করা হয়, যাতে অংশগ্রহণ করেন ১৬-২৫ বছর বয়সী স্থানীয় তরুণ-তরুণীরা। প্রকল্পের সিলেট পর্বের সমাপ্তি অনুষ্ঠান হিসেবে এই বিভাগীয় সম্মেলন আয়োজন করা হয়।

প্রকল্পের অনলাইন ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে “অনলাইন সেফটি আড্ডা” কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের #Shabdhane Online হ্যাশট্যাগটি ব্যবহার করে ইতিবাচক কনটেন্ট তৈরি করে নিজ নিজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করার আহবান জানানো হয়। এটি মূলত ছিল একটি অনলাইন কনটেন্ট তৈরির প্রতিযোগিতা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।