সোমবার , ২ অক্টোবর ২০২৩, ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ২:৪১

সিলেটের সকল সরকারি কলেজে কর্মবিরতি পালন 

ডেস্ক রিপোর্ট
অক্টোবর ২, ২০২৩ ৩:১১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

#বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি

কৃত্য পেশাভিত্তিক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা, ক্যাডার কম্পোজিশনের সুরক্ষাসহ বিভিন্ন দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছেন সিলেটের বিভিন্ন সরকারি কলেজের শিক্ষকরা। সোমবার সারাদেশের ন্যায় নিজ নিজ কলেজে এই কর্মবিরতি পালন করেন তাঁরা। এছাড়াও সুপার নিউমারারি পদোন্নতি, অধ্যাপক পদ তৃতীয় গ্রেডে উন্নীতকরণ, অর্জিত ছুটি প্রদান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়োগবিধি বাতিল, পদসৃজন, স্কেল আপগ্রেডেশন ও আন্ত:ক্যাডার বৈষম্য নিরসন দাবিগুলোতে তারা কর্মবিরতি পালন করেন।

সকাল ১০টায় এমসি কলেজের শিক্ষাবিদ সম্মেলন কক্ষে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোসাদ্দেক হোসেন খানের সঞ্চালনায় ও রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মোহাম্মদ তোফায়েল আহাম্মদের সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল আনাম মো. রিয়াজ।

প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রফেসর আবুল আনাম মোঃ রিয়াজ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার যেসকল অভীষ্ট নির্ধারণ করেছে, সেগুলো অর্জনে তিনিও শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে স্মার্ট শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের স্বার্থে কৃত্য পেশাভিত্তিক মন্ত্রণালয় এখন সময়ের দাবি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর সাইফুদ্দীন আহম্মদ, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সহসভাপতি প্রফেসর মো. আশরাফুল কবীর, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক তৌফিক এজদানী চৌধুরী, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির কার্যকরী নির্বাহী সদস্য দিলীপ চন্দ্র রায় এবং নিকসন দাশ।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ, অন্যান্য শিক্ষক মণ্ডলী।

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য শিক্ষা ক্যাডার সৃষ্টি করা হয়। কিন্তু দীর্ঘদিনেও শিক্ষা ক্যাডারকে বিশেষায়িত পেশা হিসেবে গড়ে তোলা হয়নি। বঞ্চনা আর বৈষম্যের মাধ্যমে এ পেশার কার্যক্রমকে সংকুচিত করা হয়েছে। এ পেশাকে গ্রাস করছে অদক্ষ, অপেশাদাররা যা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দর্শনের পরিপন্থী।

একই সময়ে সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোস্তাক হোসেনের সঞ্চালনায় সভাপতির বক্তব্যে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নাজমীন ইসলাম চৌধুরী বলেন, একজন হতাশ শিক্ষক চাইলেও উচ্চ শিক্ষা দিতে পারবে না। সেজন্য শিক্ষকদের সকল দাবী পূরণ করতে হবে। সকল বৈষম্য দূর করতে হবে। তখন আর ক্লাস বন্ধ করে শিক্ষকদের এভাবে কর্মবিরতি পালন করতে হবে না।

সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ এ জেড এম মাঈনুল হোসেন বলেন, বিভিন্ন দাবিতে কলেজের শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করছেন।

এছাড়াও সিলেটের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এবং টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা, শাহপরান সরকারি কলেজ, বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ, জকিগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।