সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে ধলাই সেতুর নিচ থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে জরুরি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। শনিবার সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদের বরাবরে এই স্মারকলিপি প্রদান করেন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)। ধরা সিলেটের আহবায়ক মোস্তফা শাহজামান চৌধুরী ও সদস্য সচিব আব্দুল করিম কিম স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- ধরা সিলেট শাখার কার্যকরি কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির লিটন, অ্যাডভোকেট অরুপ শ্যাম বাপ্পি, রেজাউল কিবরিয়া, রোমেনা বেগম রোজী, রিনি চৌধুরী, সোহাগ তাজুল আমিন, লিটন চৌধুরী, আব্দুর রহমান হীরা, নাহিদা খান সুর্মি প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে তারা উল্লেখ করেন, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও স্থানীয় জনগণের অভিযোগ থেকে আমরা জানতে পারি যে, সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারির পাশে অবস্থিত ধলাই সেতুর নিচে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। সেতুর অবকাঠামো ও ততসংলগ্ন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তা জনস্বার্থের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে। এছাড়াও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে আশপাশের এলাকায় নদীভাঙন সৃষ্টি হবার আশংকা দেখা দিয়েছে।
আমরা মনে করি, এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০), বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০, পানি উন্নয়ন বোর্ড আইন, ২০০০, ফৌজদারি দণ্ডবিধি ১৮৬০ সহ নাগরিকদের নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট আরও অনেক আইন ও অনুশাসনকে অমান্য করে।
তারা আরও উল্লেখ করেন, ধলাই সেতুর নিচ থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ, সেতুর কাঠামোগত ক্ষতির পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নদীভাঙন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে আপনার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ করছি।
এবিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদকে বারবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।
