সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪০ নং ওয়ার্ডের কুচাই এলাকায় একটি সরকারি খাল লিজ দেয়ার পায়তারা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কতিপয় নেতা এটি করছেন। খালটি লিজ দেয়া হলে চাষাবাদ ব্যাহতের শংকা রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪০ নং ওয়ার্ডের কুচাই এলাকার রুগনপুর মৌজায় সিলেট সিটি কর্পোরেশন ২০২৩ সালে একটি খাল খনন করে। পানি নিষ্কাশন ও কৃষকদের সেচ সুবিধার জন্য খনন করা হয় খালটি। কিন্তু ওই খালটি এখন ৪০ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, যুবলীগের কতিপয় নেতা লিজ দেয়ার পায়তারা করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একটি প্রভাবশালী চক্র খালটিতে সেচ মেশিন বসানোর চেষ্টা করছে । এজন্যে দেয়া হয়েছে একটি বাঁধও। খালের পানি শুকিয়ে গেলে কৃষকরা সামনের মৌসুমে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হবার আশংকা আছে। ব্যাহত হবে ইরিবোরো চাষাবাদ।
তারা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের নেতাসহ যুবলীগ নেতৃবৃন্দ রাসেল আহমদ নামের একজনকে এটি লিজ দেয়ার চেষ্টা করছেন। খাল লিজ দেয়ার বিষয়ে আওয়ামী লীগের কয়েক নেতা, সাবেক কুচাই ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন মিটু, দিলাল মিয়া, রুকন আহমদ,বাতির মিয়া, জুনেদ মিয়া, সৈয়দ সুবলাসহ আরও কয়েকজনের নাম শোনা যাচ্ছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে যুবলীগের সাবেক কুচাই ইউনিয়ন সভাপতি ইকবাল হোসেন মিটু, সৈয়দ সুবলা ও রিমন আহমদ বিষয়টির সাথে তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন।
তারা বলেন, এর সাথে তাদের নুন্যতম কোনো সম্পর্ক নেই।
আর রাসেল আহমদ বলেন, আমার নাম হয়তো কেউ বলেছে। কিন্তু এই খালের লিজের ব্যাপারে আমাি কোনো কিছু অবগত নই।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সদ্য বাতিল হওয়া ৪০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর লিটন আহমদ জানান, এখানে একটি খাল রয়েছে। কিন্তু খালটি লিজ দেয়ার খবর সত্য নয়। এমন কিছু হয়ে থাকলে আমরা শুনতাম।
মোগলাবাজার থানার ওসি ফয়সল আহমদ বলেন, সরকারি খাল লিজ দিতে হলে অবশ্যই এর কতৃপক্ষ দিবেন। এর বাইরে অন্য কেউ প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে কোনো কিছু করলে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
