প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে সিলেট নগরী। শুক্রবার দুপুর থেকে প্রার্থীদের পক্ষ থেকে নগরীতে করা হচ্ছে মাইকিং। নানামুখী শ্লোগান সম্বলিত মাইকিং দৃষ্টি আকর্ষণ করছে নগরবাসীর। বরাদ্দ প্রাপ্তির পরই অনেক প্রার্থীর পোস্টার শোভা পাচ্ছে নগরীতে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ও যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর ব্যানার ও পোস্টার সাটানো হয়েছে নগরীর স্থানে স্থানে। এছাড়া কাউন্সিলর প্রার্থীরাও সাঁটিয়েছেন সাদা-কালো ব্যানার পোস্টার। প্রতীক বরাদ্দের পর অনেক প্রার্থীর পক্ষে নগরীতে মোটর সাইকেল শোডাউন করতে দেখা গেছে। প্রার্থীদের সমর্থকদের শুক্রবার জুমার নামাজের পর হ্যান্ডবিল বিতরণ করতে দেখা গেছে।
মেয়র প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর মিডিয়া কো অর্ডিনেটর সাজলু লস্কর জানান, প্রতীক বরাদ্দ প্রাপ্তির পরই তারা আনোয়ারুজ্জামানের সমর্থনে পোস্টারিং করেছেন। নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে আনোয়ারুজ্জামানের পক্ষে প্রচারণা চলছে বলে জানান তিনি।
সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে (সিসিক) মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে শুক্রবার (২ জুন) সকাল ১০টা থেকে নগরীর মেন্দিবাগস্থ সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ফয়সল কাদের। এসময় মেয়র পদে ৭ জন, ৪২টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৭৩ জন ও ১৪টি সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৮৭ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
মেয়র পদে দলীয় প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী নৌকা, জাতীয় পার্টির নজরুল ইসলাম বাবুল লাঙ্গল, ইসলামী আন্দোলনের হাফিজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান হাতপাখা, জাকের পার্টির জহিরুল আলম গোলাপ ফুল প্রতীক পেয়েছেন।
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে আবদুল হানিফ কুটু ঘোড়া , ছালাহ উদ্দিন রিমন ক্রিকেট ব্যাট, ও শাহ জাহান মিয়া বাস গাড়ি প্রতীক পেয়েছেন।
সিলেট সিটি নির্বাচনে এবার মেয়র পদে ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলেন। এর মধ্যে ২৫ মে যাচাই বাছাইতে ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। পরে এই পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে তিনজনে আপিল করলে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। এতে মেয়র পদে প্রার্থী বেড়ে ৭ জন হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ২১শে জুন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়ায় মেয়র পদে বিএনপি’র কেউ মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বী হননি।
