আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক)-এর ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আফতাব হোসেন খানকে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার বিকেল ৩টায় ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হয়ে তাকে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা প্রদান করেছে। সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেচে।
নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. শরিফুল আলম জানান, সিসিক নির্বাচনে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আফতাব হোসেন খানের (ঘুড়ি প্রতীক) বিরুদ্ধে অপর প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থীর বাড়ির সামনে সশস্ত্র মহড়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও ছবি বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক মিডিয়াসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। তাছাড়া, ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিল প্রার্থী সায়ীদ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (লাটিম প্রতীক) এ বিষয়ে কমিশন বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জনসংযোগ পরিচালক আরও জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে রিটার্নিং অফিসার তদন্ত করে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। তদন্তে ঘটনাটির সত্যতা পাওয়া গেছে।
মো. শরিফুল আলম বলেন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ২০১৬ এর বিধি ৩০ লঙ্ঘনের দায়ে, বিধি ৩১ ও ৩২ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলর প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল অথবা তার বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে লিখিত বক্তব্যসহ নির্বাচন কমিশনে আগামী ১৪ জুন বিকেল ৩টায় ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা প্রদান করেছে।
প্রসঙ্গত, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী সায়ীদ মো. আবদুল্লাহ গত শুক্রবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। তিনি তাতে উল্লেখ করেন, গত মঙ্গলবার বর্তমান কাউন্সিলর আফতাব হোসেন খানের নেতৃত্বে ১০-১২টি মোটরসাইকেলে ২০ থেকে ২৫ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তার বাসার ফটকের সামনে আসেন। এ সময় সন্ত্রাসীরা বন্দুক তাক করে তাকে (আবদুল্লাহ) ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেন। পাশাপাশি ঘর-বাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানায় মামলা হয়। মামলার প্রধান আসামী করা হয় কাউন্সিলর প্রার্থী ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফতাব হোসেন খানকে।
