শুক্রবার , ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৬:১৬

স্বজনদের কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে শিশু রুবাবা

স্টাফ রিপোর্টার
সেপ্টেম্বর ১, ২০২৩ ৯:২৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

#ভারত থেকে দেশে লাশ আসতে পারে কাল

ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালে জীবন- মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা ১৪ মাস বয়সী শিশু রুবাবা তানজিলা ইন্তেকাল করেছে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার রাত ৩টা ১৩ মিনিটে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর বিষয়টি সোস্যাল মিডিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। ভারতে অবস্থানরত তার বাবা-মাও অনেক মুষড়ে পড়েছেন।

শিশুটির স্বজনরা জানান, শিশুটিকে দেশে আনার যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুক্রবার নাগপুর থেকে দিল্লী হয়ে তারা বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন। আগামীকাল শনিবার শিশুটির লাশ দেশে এসে পৌঁছতে পারে। এক্ষেত্রে দিল্লীস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের ছাড়পত্রও পাওয়া গেছে। রুবাবা ছিল এ দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান। তাদের প্রথম সন্তানও মারা গেছে বলে জানিয়েছে ওই সূত্র।

পারিবারিক সূত্র জানায়, ব্যাঙ্গালুরুর প্রখ্যাত নারায়ণা হাসপাতালে চিকিৎসাশেষে গত রোববার শিশুটিকে নিয়ে দেশের উদ্দেশে রওয়ানা দেন তারা বাবা-মা। বিমানে থাকা অবস্থায় হঠাৎ বাচ্চাটির কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটিকে বহনকারী ফ্লাইট নাগপুরে জরুরী অবতরণ করে। এরপর তাকে নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। কিন্তু, হাসপাতালটির চিকিৎসার খরচ ব্যয় বহুল হওয়ায় পরিবারটি পড়ে বিপাকে। এ নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়। অবশেষে বুধবার রাতে শিশুটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

ভারতের প্রভাবশালী সংবাদপত্র হিন্দুস্থান টাইমস ও ইন্ডিয়া টুডেতে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, গত রোববার বেঙ্গালুরু-দিল্লি ‘ভিস্তারা এর্য়া#৩৯; এর ফ্লাইটে সেখানকার প্রখ্যাত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান অওওগঝ-দিল্লির পাঁচজন চিকিৎসকের একটি দল ইন্ডিয়ান সোসাইটি ফর ভাস্কুলার অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজি (ওঝঠওজ)-তে যোগদানশেষে দিল্লি ফিরছিলেন। ঐ একই বিমানে ফিরছিল সিলেটের ট্রাস্ট মেডিকেল্#৩৯;র জেনারেল ম্যানেজার আনোয়ার হোসেন ও মুহিবুর রহমান
একাডেমির শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার শিমু দম্পতির ১৪ মাস বয়সী শিশু রুবাবা।

সেখানকার নারায়ণা হাসপাতালে হার্টের বাইপাস সার্জারি করে ব্যাঙ্গালুরু থেকে দিল্লী যাওয়ার পথে বিমান উড্ডয়নের সময় রুবাবার শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। সারা শরীর নীল রং ধারণ করে। ভাগ্যিস ঐ ফ্লাইটে উল্লেখিত ডাক্তাররা ছিলেন। তাদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় সেই যাত্রায় মৃত্যুর হাত থেকে আপাতত বেঁচে যায় শিশুটি। সেখান থেকে শিশু রুবাবাকে এম্বুলেন্স দিয়ে নাগপুরের কিংস ওয়ে হাসপাতালে শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের কাছে হস্তান্তর করেন তারা।

পারিবারিক সূত্র জানায়, নারায়ণা হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গিয়ে তারা অনেকটাই সর্বস্বান্ত। সেখানকার চিকিৎসকদের ছাড়পত্র নিয়েই শিশুটিকে নিয়ে তার বাবা-মা বিমানযোগে তাকে নিয়ে দেশের উদ্দেশে উড়াল দেন। কিন্তু, বিমানে শিশুটির শরীর খারাপ হওয়ায় তারা অনেকটাই বিপাকে পড়েন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।