সরকারের বিরুদ্ধে যেকোনো কারো অভিযোগ থাকতে পারে, কিন্তু একটা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ঠিক না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন।
মঙ্গলবার (২৭ জুন) দুপুরে সিলেটের খাদিমনগর ইউনিয়নে দরিদ্র মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মোমেন বলেন, যেসব দেশ উন্নতি করে সেসব দেশকে দাবিয়ে রাখতে কিছু দেশি বিদেশি শক্তি কাজ করে। জাতিসংঘে শান্তিরক্ষী বাহিনীর যে সকল সদস্যদের নেওয়া হয়, তা অনেক যাচাই-বাছাই করেই নেওয়া হয়। এটা বাংলাদেশ জানে।
বাংলাদেশ এখন বিদেশিদের কাছ থেকে এখন অল্প টাকা নেয় জানিয়ে তিনি বলেন, বিদেশীরা চায় বাংলাদেশ তাদের কাছে হাত পাতবে, সাহায্য নিবে ফলে তারা তাদের ইচ্ছেমত দেশটাকে পরিচালিত করতে পারে।
এছাড়াও তিনি আরও বলেন, আমাদের ইতিমধ্যে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার শান্তিরক্ষী বাহিনী পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় শান্তিরক্ষায় সাহায্য করেছে। এখন কিছু কিছু সংস্থা মনগড়া তথ্য দিচ্ছে, উদ্দেশ্য কিন্তু, যেটা বলছে সেটা না। উদ্দেশ্য হলো- বাংলাদেশকে দাবায়ে রাখা। কারণ এরা শান্তিরক্ষী মিশনে গিয়ে ওরা কিছু টাকা-পয়সা পেয়ে ভদ্রলোক হয়ে যায়, ভালো হয়ে যায়। এরা যাতে টাকাপয়সা না পায়, দেশ যাতে ধ্বংস হয়, আর এরা যাতে শান্তিরক্ষী মিশনে না যায়, তাহলে আর্মির মধ্যে একটা অসন্তোষ দেখা দিতে পারে। উদ্দেশ্য সেটাই। উদ্দেশ্য কিন্তু মহৎ না। উদ্দেশ্য খুব শয়তানী উদ্দেশ্য। আর ইউএন কখনো কোনো লোককে যাচাই-বাছাই না করে শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োগ দেয় না। এদিক দিয়ে আমরা সবসময়ই সফলকাম হয়েছি।
আমাদের দেশে যারা অতিরঞ্জিত কাজ করে, সরকার তাদের শাস্তি দেয়৷ মনে আছে, অনেক যারা অতিরঞ্জিত কাজ করেছিল, অন্যায় কাজ করেছিল, সরকার তাদের শাস্তি হয়েছে। এমনকি তাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। এবং এমন লোকদের দেয়া হয়েছে, যারা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং পারিবারিকভাবে প্রভাবশালী, তবুও সরকার তাদের প্রতিও সিমপ্যাথি দেখায়নি। সো, উই স্ট্যান্ড ফর জাস্টিস, উই স্ট্যান্ড ফর ডেমোক্রেসি, উই স্ট্যান্ড ফর ফেয়ার। আর ওগুলো খামোখা-বাতুল কথাবার্তা।
