#শিক্ষার্থীরা বড় হয়ে শিক্ষক তথা সমাজকে সম্মানিত করে – হাজী ওসমান গণি
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার প্রত্যাশা কিন্ডার গার্টেনের বার্ষিক ত্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ডি.এন হাই স্কুল ও কলেজের হলরুমে প্রত্যাশা কিন্ডার গার্টেন পরিচালনা কমিটির সভাপতি সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশার সভাপতিত্বে ও প্রত্যাশা কিন্ডার গার্টেনের সহকারী শিক্ষক হাফিজ গুলজার আহমদের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ডি.এন হাই স্কুল ও কলেজর সাবেক প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব ওসমান গনি।
এসময় তিনি বলেন, “স্কুল-কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা করে বড় হয়। সমাজ তথা রাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ে আসীন করে। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীদিনে দেশ পরিচালনায় যাবে। তারা নিজে বড় হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষক তথা সমাজকে সম্মানিত করে। সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়। আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে ছাত্রসমাজই অগ্রণী ভূমিকা রাখে। আজকের এই শিশুদের থেকেই আগামীদনের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপ্রতি বের হবে। তাদের মাঝে লুকিয়ে হাজারো স্বপ্ন, হাজারো সম্ভাবনা।”
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন ৭নং নন্দিরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস কামরুল হাসান আমিরুল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এম এ মতিন, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. করিম মাহমুদ লিমন।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রত্যাশা কিন্ডারগার্টেনের সহ-সভাপতি আপ্তাব আলী মেম্বার, আপ্তাব আলী, কোষাধ্যক্ষ শফিকুর রহমান, এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি মনোহর আলী, তৈয়মুছ আলী, আনা মিয়া, গোয়াইনঘাট ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. মুছলেহ উদ্দিন মুনাঈম, হারুন আহমদ, আলী হায়দার চৌধুরী, বিলাল উদ্দিন, অভিভাবক সদস্য হাফিজ জয়নাল আবেদীন, জুবিনা বেগম, বিশিষ্ট মুরব্বি তাহির আলী।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রত্যাশা কিন্ডার গার্টেনের অধ্যক্ষ আহসানুল হক প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মনোমুগ্ধকর কুচকাওয়াজ এবং ডিসপ্লেতে উপভোগ করেন প্রধান অতিথি, শিক্ষকবৃন্দ, আমন্ত্রিত অভিভাবক, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ বিপুলসংখ্যক দর্শক। এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় খেলাধুলা ও অনান্য বিষয়ে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। যেমন খুশি তেমন সাজো এবং আমন্ত্রিত মহিলাদের জন্য ‘বালিশ খেলা’ অনুষ্ঠানটি হয়েছিল বিশেষ উপভোগ্য। বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের পুরস্কৃত করা হয়।
বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি। এ সময় প্রধান অতিথি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে উদযাপিত হয়েছে। স্কুলে গৌরবজনক ইতিহাসে নতুনমাত্রা সংযোজন করতে সক্ষম হয়েছে। খেলাধুলার পাশাপাশি বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান দর্শকদের আনন্দে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে।
উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়ে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে স্থানীয় সবার মনে জায়গা করে নিয়েছে।
