#বৃহত্তর সিলেটে নীট ফসলী জমি প্রায় ৭ লাখ ৬৪ হাজার ২৪০ হেক্টর
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম বলেছেন, শিম হল উচ্চ প্রোটিন ও কম ক্যালরি সমৃদ্ধ সবজি ফসল। শিম চাষের মাধ্যমে জমির উর্বরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রোটিনের ঘাটতি সহজেই পূরণ করা সম্ভব।
রোববার সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি অনুষদের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত প্রজেক্ট কমপ্লিশন ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ দেবনাথের উপস্থাপনায় ও সিকৃবি রিসার্চ সিস্টেম (সাউরেস) পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহমুব ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিকৃবি ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের (কেজিএফ) নির্বাহী পরিচালক ড. নাথু রাম সরকার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেজিএফ’এর উদ্যানতত্ত্ব বিষয়ক উর্ধ্বতন বিশেষজ্ঞ ড. নাজিরুল ইসলাম এবং জাপানের আইওয়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মো. আবিদুর রহমান।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুল ইসলাম।
এসময় বক্তারা বলেন, বৃহত্তর সিলেটে নীট ফসলী জমি রয়েছে প্রায় ৭ লাখ ৬৪ হাজার ২৪০ হেক্টর অথচ রবি মৌসুমে শতকরা ১৮ ভাগ, খরিফ-১ মৌসুমে শতকরা ১৯ ভাগ এবং খরিফ-২ মৌসুমে শতকরা ৬ ভাগ জমি পতিত থাকে। অথচ এইসব জমিতে স্বল্পমেয়াদী গ্রীষ্মকালীন শিমসহ ঝাড়শিম, বরবটি আবাদ করে আর্থিক ভাবে সচ্ছল হওয়ার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব।
কর্মশালায় সিকৃবির বিভিন্ন বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, কর্মকর্তা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং কৃষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
