এবার সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর পদে নির্বাচন না করার ঘোষণা দিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২২ নং ওয়ার্ডের একাধিকবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ও মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন।
এলাকাবাসীর সাথে আয়োজিত মতবিনিময়ে তিনি বলেন, ওয়ার্ডবাসীর ভোটে ১৯৯৫ সালে তিনি বাংলাদেশের সর্ব কনিষ্ঠ জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর একাধিকবার নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে প্রায় ২০ বছর ওয়ার্ডবাসীর সেবা করেছেন। এ সময়ে ওয়ার্ডবাসীর যে সম্মান ও সহযোগিতা পেয়েছিলেন; সেজন্য তিনি চিরঋণী। এজন্য তিনি ও তার পরিবার ওয়ার্ডবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। নিজেকে বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বলেন, ইতিপূর্বে তিনি সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি, সদ্য বিলুপ্ত মহানগর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও বর্তমানে ২২নং ওয়ার্ড বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
এ অবস্থায় তারেক রহমানের নির্দেশক্রমে ও দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার ঘোষণা দেন তিনি। সেই সাথে দলের নেতা কর্মী ও ভোটার এবং ২২ নং ওয়ার্ডবাসীকে ভোটকেন্দ্রে না যাবার অনুরোধ করেন।
২২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মর্তুজা আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিকের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন-সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন-মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, বিশেষ অতিথি ছিলেন-মহানগর সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ মঈনুদ্দিন সুহেল, ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এ কে এম আহাদুস সামাদ, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বদরুল আহমদ চৌধুরী, ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি হাজী আব্দুস সালাম, জাফর ইকবাল তারেক, আবুল কালাম আজাদ, ওয়ার্ড বিএনপির কোষাধ্যক্ষ অজি মোহাম্মদ কাওসার, এনামুল আজিজ মুন্না ও মোস্তাক আহমদসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ ও ওয়ার্ডবাসী। শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন কাজী শামসুল হক।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সিসিক কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী নির্বাচন না করার ঘোষণা দেন। শনিবার নির্বাচন করার ঘোষণা দেন মেয়র আরিফুল চৌধুরী। এ ধারাবাহিকতায় সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিনও নির্বাচন না করার ঘোষণা দিলেন।
