ঘোষণা দিয়ে নিয়ম লঙ্ঘন করে কর্মসূচি পালন করছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রয়েছে নিরব। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন, তাহলে কি প্রশাসনের সহযোগিতায় এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন হচ্ছে?
রবিবার (১৮ মে) বিকেল চারটায় পূর্ব ঘোষণা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে নিয়ম লঙ্ঘন করে দলীয় কর্মসূচি পালন করে ছাত্রদল।
এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ছাত্রদল নিয়মিত নিয়ম লঙ্ঘন করে দলীয় কর্মসূচি পালন করলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তাহলে কি প্রশাসনের সহযোগিতা পাচ্ছে ছাত্রদল?
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, ‘২৪-এর আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল ক্যাম্পাসকে লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি থেকে মুক্ত করা। প্রশাসনও সে সময় আমাদের এই আশা দিয়েছিল। কিন্তু কয়েক মাস না যেতেই আবার ক্যাম্পাসে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসন দলীয় ব্যানারে কর্মসূচি নিষিদ্ধ করেছে, তারপরও দেখা যাচ্ছে একটি সংগঠন নিয়মিত দলীয় ব্যানারে কর্মসূচি পালন করছে। কিন্তু প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তাহলে কি বলা যায়, প্রশাসন ছাত্রদলকে ভয় পাচ্ছে? নাকি প্রশাসনই তাদের সহযোগিতা করছে?’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোখলেছুর রহমান বলেন, “আমরা আগামী ২০ তারিখ বিকেল ৫টায় বৈঠক আহ্বান করেছি। ২০ তারিখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
বারবার নিয়ম লঙ্ঘনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, “আমরা শোকজ করেছি। কিন্তু তাতেও তারা কর্মসূচি পালন করছে। আমরা তো নিয়ম ভেঙে কিছু করতে পারি না। আমি কিছুদিন অসুস্থ ছিলাম, তাই সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হয়েছে। আশা করি ২০ তারিখ একটি সিদ্ধান্ত আসবে।”
