সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে স্টিলের পাইপ পড়ে সেনা সদস্য নিহতের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় গঠিত পুরাতন কমিটির সদস্যদের মধ্যে সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান ও নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হওয়ায় তাদের বাদ দিয়ে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
পুনর্গঠিত এই কমিটিকে ৭২ ঘন্টার মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। নতুন কমিটেতে আহবায়ক করা হয়েছে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ বদরুল হক।
এছাড়া সদস্য করা হয়েছে সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা (নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট) মো. মতিউর রহমান খান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. জয়নাল ইসলাম চৌধুরী, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল হাকিম, গণপূর্ত অধিদপ্তর সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী রিপন কুমার রায়, সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) রুহুল আলম ও সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) রজি উদ্দিন খান।
উল্লেখ্য, শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্মাণাধীন বিল্ডিংয়ের ১২ তলার ছাদ থেকে হঠাৎ করেই একটি স্টিলের পাইপ সিটি মার্কেটের ভিতরে ওই সেনা সদস্যের মাথায় এসে পড়ে। সাথে সাথেই তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের সহকর্মী সিলেট সেনানিবাসের ১৭ পদাতিক ডিভিশনের ৫০ ফিল্ড রেজিমেন্টের সেনা সদস্য আব্দুল মান্নান ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরেকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলেন- সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবর, জামাল অ্যান্ড কো.–এর সাইড ইঞ্জিনিয়ার আবদুর রাজ্জাক, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জামাল অ্যান্ড কো.–এর মালিক মো. জামাল উদ্দিন, ক্রেনচালক মো. সাদেক, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক ও অজ্ঞাত আরও একজকে আসামী করা হয়।
